র‌্যাপ (WRAP) নীতিমালা সমূহ
র‌্যাপের মূলনীতির ভিত্তি হলো আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রের মান,স্থানীয় আইন ও কর্মক্ষেত্রের নিয়মকানুন এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার প্রাসঙ্গিক প্রচলিত রীতি। মূলনীতিটি পরিবেষ্টিত থাকে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা,স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা,পরিবেশ চর্চা, বৈধ সম্মতি যার মধ্যে থাকে আমদানি রপ্তানি, শুল্ক বিভাগ সম্মতি এবং নিরাপত্তা মান।

র‌্যাপের সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো উক্ত মানগুলোর স্বাধীন পর্যবেক্ষন ও কমপ্লায়ান্সের প্রত্যয়ন প্রদান। এটা নিশ্চিত করে, তৈরী পণ্যগুলো যথাযথভাবে আইনকানুন মেনে মানবিক ও নৈতিক পরিবেশে উৎপাদিত হয়েছে কিনা।যেসকল প্রতিষ্ঠান এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহন করে তারা স্বেচ্ছায় নিশ্চিত করে যে উৎপাদনগুলো উপোরক্ত মান অনুসরন করে করা হয়, আরও অঙ্গীকার করা হয় একসাথে তাদের অংশগ্রহনের মাধ্যমে ঠিকাদার ও সরবরাহকারীরা এই মান অনুযায়ী উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু রাখবে।
 

1. আইন এবং কর্মক্ষেত্রের নিয়মকানুনে কমপ্লায়ান্স

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যেসকল স্থানে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে সেসকল স্থানে আইন এবং নিয়মকানুন মেনে চলবে।
 
সকল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রয়োগযোগ্য আন্তর্জাতিক আইনের পাশাপাশি যেসকল স্থানীয় এবং জাতীয় আইনের অধীনে ব্যবসা করে আসছে,সেসকল আইনি নিয়মকানুন ও তাদের শিল্পের মান মেনে চলবে।এটা উক্ত আইনিক্ষেত্রের সকল শ্রম ও চাকুরী আইন,সাধারন ব্যবসায়িক আচরনের আইন নিয়ন্ত্রন, দুর্নীতি আর স্বচ্ছতার নিয়ম ও নৈতিকতা মান সহ এবং যেকোনো প্রাসংগিক পরিবেশগত আইন কভার করবে।
 

2. জোরপূর্বক শ্রম নিষিদ্ধকরণ

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অনৈচ্ছিক, জোরপূর্বক বা পাচারকৃত শ্রম ব্যবহার করবে না।
উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো স্বেচ্ছায় কঠোরভাবে কর্মসংস্থান বজায় রাখবে। প্রতিষ্ঠানগুলো কোন বাধ্য, কারাগার, চুক্তিভিত্তিক, শুল্কাধীন বা পাচারকৃত শ্রম ব্যবহার করবে না।এটা নিশ্চিত করে যে তারা যেকোন শ্রমিকই ভাড়া করুক না কেনো তা সম্পূর্ণরূপে সমস্ত প্রাসঙ্গিক আইনি প্রয়োজনীয়তা মেনে শ্রম চুক্তি অনুযায়ী হতে হবে (যেসকল শ্রমিক কর্মস্থান ত্যাগ করতে চায় প্রতারণাপূর্বক তাদের ব্যাপক জরিমানা এবং আবাসিক কাগজপত্রের ক্ষতিসাধন করা অথবা স্বেচ্ছায় নিয়োগ শেষ করার একটি শ্রমিকের ক্ষমতাকে সীমিত করাকেও প্রতিহত করতে হবে)। এর পাশাপাশি, এমপ্লয়মেন্ট ব্রোকার বা এজেন্সীর মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের সময়, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিশ্চিত হতে হবে যে, শ্রমিকদের পাসপোর্ট জব্দ করা হয়নি,সকল লিখিত চুক্তি শ্রমিকদের স্থানীয় ভাষায় হয় এবং নিয়োগ ফি যেনো শ্রমিকদের বহন করতে না হয়।
 

3.শিশুশ্রম নিষিদ্ধকরণ

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ১৪ বছরের কম বয়সী বা কর্মসংস্থান আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সর্বনিম্ন বয়স অথবা সেসকল শ্রমিক যাদের আবশ্যিক স্কুলে যেতে হয়, তাদের নিয়োগ করবে না।
প্রতিষ্ঠানগুলো নিশ্চিত করবে যে, তারা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সবচেয়ে থারাপ ধরনের শিশুশ্রম বা কোনধরনের শিশুশ্রমের সাথে জড়িত নয়। প্রতিষ্ঠানগুলো আইনদ্বারা অনুমোদিত বয়সের চেয়ে কম বয়সের বা কোন কোন ক্ষেত্রে আইন দ্বারা অনুমোদিত হলেও ১৪ বছরের নিচের কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারে না।পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাধ্যতামূলক স্কুল সংক্রান্ত স্থানীয় আইনি প্রয়োজনীয়তা মেনে চলতে হবে। উপরন্তু,যদিও আইনি স্বীকৃতির দ্বারা কোন প্রতিষ্ঠান কমবয়সী কর্মী নিয়োগ দেয়(শ্রমিক যার বয়স সর্বনিম্ন চাকুরীর বয়স এবং ১৮ বছরের মধ্যে হয়),তবে তাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, এমন তরুণ কর্মীদের দ্বারা সঞ্চালিত কাজের প্রকৃতি এবং কাজের চাপের উপর আইনগত সীমাবদ্ধতা প্রয়োগ করা হয় যেমন এধরনের তরুণ কর্মীদের দ্বারা আইনের দ্বারা আরোপিত কোনো বিপজ্জনক কাজ সঞ্চালন (রাসায়নিক দ্রব্য বা ভারী যন্ত্রপাতি অপারেটিং)করতে দেওয়া না হয়।
 

4. হয়রানি বা অপব্যবহার নিষিদ্ধকরণ

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এমন কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করবে যেখানে কোন সুপারভাইজার বা সহকর্মীদের দ্বারা হয়রানি বা অপব্যবহার হয়না এবং কোনপ্রকার শারীরিক শাস্তি প্রদান করা হয়না।
উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এমন একটি কর্মক্ষেত্র নিশ্চিত করবে যেখানে সবাই শ্রমিক অধিকার এবং শ্রমিক মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো যৌন হয়রানি, অশালীন বা হুমকি ধামকি, অবমাননাকর ভাষা প্রয়োগ এবং অবাঞ্ছিত শারীরিক বা মৌখিক হয়রানিমূলক কাজে জড়িত থাকবে না এবং এ ধরনের পরিস্থিতি কঠোর হস্তে দমন করবে। বিশেষ করে, প্রতিষ্ঠানগুলো হয়রানি বা নির্যাতন মুক্ত একটি কর্মক্ষেত্র পতিষ্ঠা করার জন্য ব্যবস্থাপনা, সুপারভাইজার ও শ্রমিকসহ সব স্তরে সঠিক প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করবে।
 

5. ক্ষতিপূরণ এবং সুবিধাসমূহ

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সকল বাধ্যতামূলক মজুরি, ভাতা ও সুবিধা সহ স্থানীয় আইন অনুসারে প্রয়োজনীয় অন্তত সর্বনিম্ন মোট ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যেখানে অবস্থিত সেখানকার স্থানীয় ও জাতীয় আইন মেনে সব কাজের জন্য তাদের কর্মীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ, শ্রমিকের বেতন ও সুযোগ সুবিধা যথা সময়ে প্রদান করবে।এটি স্থানীয় আইন অনুসারে প্রয়োজনীয় যে কোন বাধ্যতামূলক সামাজিক বীমাসহ ওভারটাইম কাজ বা ছুটির সময় কাজ করার জন্য কোন প্রিমিয়াম, সেইসাথে অন্য কোন ভাতা বা সুবিধাও নিশ্চিত করবে।
 

6. কার্যকাল

কোন কর্মী প্রতিদিন কত ঘন্টা এবং প্রতি সপ্তাহে কত দিন কাজ করবে সেখানে দেশের আইনের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করা উচিত নয়। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জরুরী ব্যবসায়িক চাহিদা পূরণের প্রয়োজন ছাড়া, প্রতি সাত দিনের সময়ের মধ্যে অন্তত এক দিন বন্ধ প্রদান করবে।
উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয় আইনত প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী নিয়মিত ও ওভারটাইম কাজের উপর সীমা নির্ধারণ করতে হয়।স্থানীয় আইন দ্বারা স্থাপন করা সীমাবদ্ধতা মেটানোর উপর র‌্যাপ সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামে দীর্ঘমেয়াদী অংশগ্রহণ নির্ভর করে।র‌্যাপ উপলব্ধি করেছে যে এটি অত্যন্ত চ্যালেন্জিং প্রয়োজন হতে পারে, বিশেষ করে, স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ম ও প্রথা নিয়ে যখন চিন্তা করা হয়। এই বাস্তবতার আলোকে, র‌্যাপ স্থানীয় আইন অনুযায়ী কাজের ঘন্টা বৃদ্ধিলাভ অর্জন করতে তখনই অনুমতি দিবে যখন একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করে : কাজের সময় সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে স্বচ্ছতা, উক্ত সময়গুলোতে কর্মীরা সেচ্ছায় কাজ করেছে, সেসময়ে কর্মক্ষেত্রে কর্মীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে, র‌্যাপের প্রিন্সিপাল ৫ এর সাথে মিল রেখে সব কর্মীদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে এবং এক অডিট থেকে আরেক অডিট পর্যন্ত কার্যকালের রিকোয়ারমেন্টস মেটানোর দিকে উন্নতি দেখায়।
 

7. বৈষম্য নিষিদ্ধকরণ

ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে নয়, একজন শ্রমিকের কাজ করার ক্ষমতার ভিত্তিতে তার নিয়োগ, বেতন, পদোন্নতি এবং ছাটাই হবে।
উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চাকুরীর শর্তাবলী কোনো ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে নয় বরং একটি ব্যক্তির কাজ করার ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে করা হয় তা নিশ্চিত করবে। প্রতিষ্ঠানগুলো নিশ্চিত করবে যে সকল কর্মসংস্থান সিদ্ধান্ত যেমন-নিয়োগ, ছাটাই, কাজ বরাদ্দ,বেতন পরিশোধ বা পদোন্নতি কর্মীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ যেমন জাতি, বর্ণ, জাতীয় উৎপত্তি, লিঙ্গ, যৌন, ধর্ম, অক্ষমতা বা অন্যান্য অনুরূপ কারণের (গর্ভাবস্থা, ইত্যাদি রাজনৈতিক মতামত বা অন্তর্ভুক্তি, সামাজিক অবস্থা ইত্যাদি) ভিত্তিতে করা না হয়।
 

8. স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো একটি নিরাপদ ও সুস্থ কাজের পরিবেশ প্রদান করবে।যেখানে শ্রমিকদের জন্য আবাসিক বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয় সেখানে প্রতিষ্ঠানগুলো যেনো নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর বাসস্থানের ব্যবস্থা করে।
উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মীদের জন্য একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, সুস্থ এবং উৎপাদনশীল কর্মক্ষেত্রে প্রদান করবে। প্রতিষ্ঠানগুলো অন্য সমস্ত কিছুর উপরে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তায় অগ্রাধিকার দিবে এবং ভবিষ্যতে হতে পারে এমন যেকোন নিরাপত্তা সমস্যা সক্রিয়ভাবে সমাধান করবে।এর ভেতর বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে যেমন (শ্রমিকদের কোন চার্জ ছাড়াই) বিশুদ্ধ পানির প্রাপ্যতা, পর্যাপ্ত মেডিকেল ইকুইপমেন্ট, ফায়ার এক্সিট এবং নিরাপত্তা সরঞ্জাম, পর্যাপ্ত আলো, আরামদায়ক ওয়ার্কস্টেশন, পরিষ্কার টয়লেট ইত্যাদি।উপরন্তু, প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মীদের নিরাপদে তাদের কাজ কিভাবে সম্পাদন করবে পর্যাপ্তরূপে সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিবে।
 

9. সমিতি গঠনের স্বাধীনতা এবং যৌথ দরকষাকষি

প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মচারীদের বিনামূল্যে সমিতি ও যৌথ দরকষাকষির অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে।
একটি শ্রমিক সমিতিতে যোগদান করবে কি করবেনা সেটা নির্ধারন করার স্বাধীনতার উপর প্রতিষ্ঠান সম্মান দেখাবে।কর্মীরা সমিতিতে অংশগ্রণ করবে কি করবে না তার উপর ভিত্তি করে কোন বৈষম্য করা যাবে না।প্রতিষ্ঠান এবং শ্রমিকের উভয়েই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল আইন অনুযায়ী নিজেদের আচার নিশ্চিত করবে।প্রতিষ্ঠান কর্মক্ষেত্রে ক্ষোভ মোকাবেলার জন্য একটি কার্যকর প্রক্রিয়া নিশ্চিত করবে।
 

10. পরিবেশ

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পরিবেশগত বিধি, বিধান এবং তাদের কাজকর্ম প্রযোজ্য মানদণ্ড মেনে চলবে, এবং তারা যেখানে কাজ করে সেসব স্থানে পরিবেশ সচেতনতা চর্চা পালন করবে।
উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সমস্ত প্রযোজ্য আইনগতভাবে পরিবেশগত মান সম্মতি নিশ্চিত করবে, এবং সক্রিয়ভাবে তাদের পরিবেশগত চর্চা পর্যবেক্ষণ করে পরিবেশ রক্ষা করার জন্য একটি অঙ্গীকার প্রদর্শন করবে। বিশেষ করে, প্রতিষ্ঠান কোনো বর্জ্য পদার্থ নিষ্পত্তির পর্যবেক্ষণ সহ সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করবে কঠিন, তরল বা বায়বীয় যেটাই হোক না কেনো নিরাপদে নিষ্পত্তি এবং সমস্ত প্রাসঙ্গিক আইন সামঞ্জস্যপূর্ণ এমনভাবে সম্পন্ন করবে।
 

11. বহি:শুল্কে কমপ্লায়েন্স

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রযোজ্য শুল্ক আইন মেনে চলবে, এবং বিশেষ করে,উৎপাদিত পণ্যের অবৈধ পাচার সংক্রান্ত কাস্টমস আইন মেনে চলতে বিশেষ প্রোগ্রাম স্থাপন করবে এবং বজায় রাখবে।
প্রতিষ্ঠানগুলো সব পণ্যদ্রব্য সঠিকভাবে চিহ্নিত অথবা সমস্ত প্রযোজ্য আইন মেনে লেবেল করা হয় কিনা তা নিশ্চিত করবে। উপরন্তু, তারা সব উপকরণ এবং অর্ডারের জন্য রেকর্ড রাখবে, সেইসাথে বিস্তারিত প্রোডাকশন রেকর্ড বজায় রাখবে।
 

12. নিরাপত্তা

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশগামী চালানের মধ্যে যেকোন ধরনের নিষিদ্ধ বস্তু (যেমন: ড্রাগ, বিষ্ফোরক পদার্থ এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ বস্তু) যেনো পাচার না হয় সে বিষয়ে নিরাপত্তা পদ্ধতি বজায় রাখবে।
প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো অ উদ্ভাসিত কার্গো প্রবর্তনের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করবে। এই ক্ষেত্রে, র‌্যাপ বিদেশী নির্মাতাদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (CBP) এর C-TPAT নির্দেশিকাকে একটি উত্তম অনুশীলন প্রোগ্রাম হিসেবে উপলব্ধি করেছে এবং উক্ত নির্দেশিকাকে র‌্যাপের নীতিমালার অন্তর্ভুক্ত করেছে।